নোটিশ
জাতির জনকের জন্মদিন পালন:: ★★আজ ১৭ মার্চ ২০১৭ ইংরেজি শুক্রবার "জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান"-এর ৯৮তম জন্মদিবস উপলক্ষে ফটিকছড়ি https://www.cialissansordonnancefr24.com/generique-cialis/ করোনেশন আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে দিবসটি পালন করা হয়★★ জেএসসি পরীক্ষা -২০১৮: আগামী ০১/১১/২০১৮ ইংরেজি, বৃহস্পতিবার হতে ২০১৮ সালের জেএসসি পরীক্ষা https://www.viagrageneriquefr24.com/pilule-viagra-pour-femme/ অনুষ্ঠিত হবে। নোটিশ-: "শিক্ষা নিয়ে গড়ব দেশ শেখ হাসিনার বাংলাদেশ"-  ভর্তি বিজ্ঞপ্তিঃ: ফটিকছড়ি করোনেশন সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ে সরকারি বিধি https://viagrageneriquefr24.com মোতাবেক ২০১৯ সালে ৬ ষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তি ফরম বিতরণ করা হচ্ছে।  ফরম গ্রহণ ও জমা দানের তারিখ - ০১/১২/২০১৮ ইং হতে ১০/১২/২০১৮ ইং পর্যন্ত। ভর্তি পরীক্ষার তারিখ - ১৭/১২/২০১৮ ইংরেজি।   ভর্তির ফলাফল প্রকাশঃ: ২০১৯ সালের ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে।

EIIN - ১০৪৩১৯
৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ সোমবার, ১৮ নভেম্বর ২০১৯ইংরেজী

প্রতিষ্ঠানের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস

প্রতিষ্ঠানের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস

ফটিকছড়ি করোনেশন আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় উপজেলার প্রাচীনতম শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানউচ্চ বিদ্যালয় হিসেবে ১৯১২ সালে প্রতিষ্ঠিত বলে উল্লেখ থাকলে ও অনেকে মনে করেন যে বিদ্যালয়টি ১৮৮০ সালের দিকে প্রথম যাত্রা শুরু করেছিল।

যারা আজকে কিছুটা বয়স্ক তারাও বিদ্যানিকেতনের জন্য নতুন প্রজন্ম। তাই এর ঐতিহাসিক পটভূমি উদ্ঘাটন করা আমাদের জন্যতো বটেই যারা স্থানীয় প্রাচীন তথ্য নিয়ে গবেষণা করেন তাদের জন্যেও কঠিন কাজ। অধিকন্তু স্মরণাতীত কালের মধ্যে এ বিদ্যানিকেতন থেকে কোন পুস্তক পুস্তিকা বা ম্যাগাজিনও প্রকাশ হয়েছে বলে জানা যায় না। যেগুলোর মাধ্যমে কিছু কিছু তথ্য আমরা নতুন প্রজন্ম উত্তরাধিকার সূত্রে পেতে পারতাম। তবে ২০০১ সালে বিদ্যালয়ে প্রথম ম্যাগাজিন প্রকাশিত হয়। অবশ্য  পরম সান্ত্বনার বিষয় যে বিভিন্ন প্রাকৃতিক দূর্যোগ ও যুদ্ধ বিগ্রহের ক্ষয়-ক্ষতি সত্ত্বেও এখনো ১৯১৪ সালের কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বীকৃতির কিছু চিঠি, ১৯৩৫ সালের শিক্ষক পরিষদের সভার কার্যবিবরণী, বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদের সভার কার্যবিবরণী বই এখনো অবশিষ্ট আছে যাহা অত্র বিদ্যালয়ের গৌরবময় ঐতিহ্যের স্বাক্ষর বহনকারী দলিল হিসেবে গণ্য হতে পারে।

ইংরেজ শাসনামলে আধুনিক অনগ্রসর যুগে এই বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। স্থানীয় শিক্ষানুরাগী মনীষীদের সাহায্য সহযোগীতার পাশাপাশি ইংরেজ রাজশক্তির পৃষ্ঠপোষকতাও উল্লেখযোগ্য ছিল বলে স্পষ্ট ধারণা করা যায়। ১৯১১ সালে ইংরেজ রাজ পরিবারের ঐতিহাসিক রাজ্যভিষেক বা Coronation Ceremoney                         এর প্রেক্ষিতে Coronation High English School নামকরণ থেকে এটা স্পষ্ট হয়ে উঠেতৎকালীন সময়ে এই পূর্ব বঙ্গে একই ভাবে আর কয়েকটি বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠত হয়েছিল। কালক্রমে অন্য বিদ্যালয়গুলো সরকারীকরণের মাধ্যমে উন্নয়নের ছোঁয়া পেয়ে ধন্য হলেও এ বিদ্যালয়ের ভাগ্যে তা হয়ে উঠেনি। বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠাতা পর্যায়ের কারো নাম সুস্পষ্ঠভাবে জানা যায় না। তবে জনাব আহম্মদ এজাহার সাব-রেজিষ্টার সাহেব অত্র বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন বলে অনেকে মনে করতেন। তিনি পশ্চিম বঙ্গের হুগলি জেলার অধিবাসী ছিলেন। মাঝে মাঝে তাঁর ওয়ারিশেরা এসে এ বিদ্যালয় দেখে যেতেন। তাও বেশ অনেক দিন আগের কথা। এ বিদ্যালয়ের ঐতিহ্যের সঙ্গে আর একজন মনীষীর নাম জড়িয়ে আছেন। তিনি হলেন আক্কাস আলী মুন্সেফ। আর একজন সরকারী কর্মকর্তার নামও জড়িয়ে আছে এ বিদ্যালয়ের ঐতিহ্যের সঙ্গে। তিনি হলেন সাব রেজিষ্টার আব্দুল ওয়াহাব সাহেব। ১৯৪০ সালে নির্মিত মসজিদের ভিত্তি প্রস্তরে তাঁর সম্মানার্থে মার্বেল পাথরের স্মৃতি ফলক লাগানো আছে।

এ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে স্থানীয় দানশীল ব্যক্তিবর্গের অনুদান ও অবদান অবশ্যই ছিল। এমন ব্যক্তিবর্গ ছিলেন নিঃস্বার্থ, উদার ও উন্নত চিন্তায় চিন্তাশীল। তাই বিদ্যালয়ের নামকরণে কোন ব্যক্তি বিশেষের নাম যুক্ত হয়নি। প্রথম দিকে বিদ্যালয়ের অবস্থান ছিল ফটিকছড়ি মুন্সেফ আদালতের পূর্বদিকে রাস্তার উত্তর পার্শ্বে। পরবর্তীতে ১৯১৭ সালের দিকে বিদ্যালয়ের বর্তমান স্থানে আধাপাকা ভবন তৈরি হলে পূর্ববর্তী স্থানে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বাসভবন বিদ্যমান ছিল। পরে ১৯৫৮ সালে ফটিকছড়ি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়কে হস্তান্তর করা হয়। প্রথম দিকে প্রাথমিক বিদ্যালয় ও উচ্চ বিদ্যালয়ের সঙ্গে সংযুক্ত ছিল এবং একই গৃহে পরিচালিত হতো। পরে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দায় দায়িত্ব সরকার গ্রহণ করায় বিদ্যালয়ের পূর্বাংশে ৩০ শতক জমি দানপত্র দ্বারা প্রাথমিক বিদ্যালয়কে হস্তান্তর করা হয় এবং প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য আলাদা ঘরদরজা তৈরি হয়। উল্লেখ্য যে, ফটিকছড়ি কলেজের যাত্রা শুরু হয়েছিল এই বিদ্যালয়ের হোস্টেলে ক্লাসের ব্যবস্থা করে ক্লাস নেওয়া হতো, পরবর্তীতে কলেজের বর্তমান অবস্থানে স্থানান্তরিত হ্য এবং ডিগ্রী কলেজে উন্নীত হয়। বাজার ও ব্যাবসা কেন্দ্রের কোলাহল থেকে একটু দূরে নিরিবিলি প্রাকৃতিক পরিবেশে ৫.১৩ একর জমির সুবিশাল এলাকা জুড়ে এ বিদ্যালয়ের অবস্থান।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক বিদ্যালয়টি উপজেলার মডেল বিদ্যালয় হিসেবে রূপান্তরিত হয়েছে। ফলে বর্তমান বিদ্যালয়ের পিছনে ১,২৩,০০০০০/- (এক কোটি তেইশ লক্ষ) টাকা ব্যয়ে চার তলা বিশিষ্ট অত্যাধুনিক ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। ফলে বর্তমানে ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে আধুনিক ও বিজ্ঞান সম্মত পাঠদানের মাধ্যমে বিদ্যালয়ের কার্যক্রম ও লেখাপড়ার মান অনেক বৃদ্ধি পাবে।